‘আইয়ুব বাচ্চু’ জান্নাতে নাকি জাহান্নামে-!

0
371

‘বাচ্চু’ ভাইয়ের প্রতি আমাদের করণীয় কি ছিল?

বাচ্চুভাই কে নিয়ে আর কিছুই লিখার নেই, ভাই বলছি কারণ তিনি মুসলিম হয়েই শেষ নি:শ্বাস ছেড়েছেন বলে জানা যায়। আল্লাহ্ আয ওয়া যাল বলেন: (মুমিনরা তো পরস্পর ভাই-ভাই। হুজরাত:১০) কিছু সি ফার্স্ট প্রোফাইল ও পেইজ গুলো ডিফোল্ট দিলাম, কারন তাদের অনেকেই অধিক ক্ষমতাধিকারী; তারা চাইলেই যেন মৃত্যুর সময় যে কাউকে জান্নাতুল ফেরদৌস দিয়ে দেওয়ার একটা সহজলভ্য টিকেট রাখে,হতে পারে এটা তাদের বংশীয় অধিকার। ‘Love Runs Blind’ (LRB) এই নীতিটি যে তাদের মধ্যে উঁইপোকার বাসার মতো বাসা বেঁধেছিলো, তাদের আবেগ প্রবণতাই তার প্রমাণ…আবার কেউ কেউ এতই পরহেজগার যে একজন মুসলমানকে কাফের কিংবা হারামক্ষুর বানিয়ে জাহান্নামে পাঠিয়ে দিচ্ছে। ইউটিউবে এখন সার্চ করলে এটাও দেখা যায় যে,আইয়ুব বাচ্চু এখন কোথায়..!?জান্নাতে নাকি জাহান্নামে, থামনেইল গুলো এখন এমনই..!!

খারিজিরা ধর্মের ব্যাপারে অনেক কঠিন ছিলো, তারা ভাবতো কোন মুসলমান পাপে লিপ্ত হলে বা কোন কবিরা গুনাহ্ করলেই সে ইসলাম ধর্ম থেকে বেরিয়ে যায়। কিন্তু মুহাম্মদ (স:) সবসময় ইসলামকে সহজ করতেন। সহজ মানে এই নয় যে,হারাম জিনিস হালাল করতেন..!যতগুলো মহা উক্তি ও হাদিস বাচ্চু ভাইয়ের পিছনে লাগানো হয়েছে, আসুন সেগুলো আমাদের আর আমাদের পরিবারের মধ্যে লাগিয়ে দেই। তাহলে নিশ্চয় হালাল রিযিকে নিজেদেরকে ইবাদতের যোগ্য করে তুলতে পারবো। আজকে আমরা যারা গালিগালাজ করছি, নাক ছিটকাচ্ছি, জাহান্নামের টিকেট দিচ্ছি, তারা কত বার তাঁর সাথে দেখা করেছি হালাল পথে মাইগ্রেট করানোর জন্য? হয়তো কখনো একটা ইমেইল ও করিনি..অথচ তাকে তাঁর অলক্ষ্যে আহত পরিবারের মাঝে কত নোংরা ভাবে প্রেসেন্ট করছি…!

অথচ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা মৃতদের গালি দিও না। কারণ, তারা স্বীয় কর্মফল পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।(বুখারী) এমনকি তিনি মৃতদের মধ্যে মুশরিকদেরকে ও নিন্দা করতে নিষেধ করেছেন। আয়িশা (রাঃ) বলেন, একবার হাস্‌সান ইবনু সাবিত (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট মুশরিকদের নিন্দা করার অনুমতি চাইলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা হলে এ নিন্দা থেকে আমার বংশের মর্যাদা কীভাবে রক্ষা পাবে? তখন হাস্‌সান (রাঃ) বললেনঃ আমি তাদের থেকে আপনাকে এমনভাবে বের করে নেব,যেভাবে মাখানো আটা থেকে চুল বের করা হয়। রাবী ‘উরওয়াহ বর্ণনা করেন, একদিন আমি ‘আয়িশা (রাঃ) -এর কাছে হাস্‌সান (রাঃ) -কে গালি দিতে লাগলাম, তখন তিনি বললেনঃ তুমি তাঁকে গালি দিওনা। কারণ, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পক্ষ হতে মুশরিকদের প্রতিরোধ করতেন। (বুখারী: ৬১৫০, তাওহীদ ;৫৬০৬ ইফা)

আসুন দাওয়াতি কাজের আরো বেশি অগ্রগামী হই, যেন কাছের মানুষ গুলোকে কেবল দু’আ দিয়ে জান্নাতে না পাঠিয়ে আমলের দ্বারা জান্নাতের যোগ্য করে তুলতে পারি এমনকি আমরা ও যেন…যেন হাশরে মাঠে আর কোন বাচ্চুর কাছে ঋণী না থাকতে হয় যে,অন্তত আমার পক্ষ থেকে ও কেন আপনার কাছে ইসলাম পালনের শ্রেষ্ঠত্বের দাওয়াত পৌঁছায়নি….. অনুপ্রাণিত :শায়খ আমানুল্লাহ বিন ইসমাঈল মাদানী

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here