আদর্শের চুরি পড়ে বসে আছি আমরা

0
29

জেগে ওঠা যুবক

নিজেকে আর কতো কাঁদাবো, কেঁদে কেঁদে যৌবনে উদ্দীপ্ত প্রাণ বার্ধক্যে মোড় নিচ্ছে।কমে যাচ্ছে জিহাদের সেই তীব্র স্বাদ। নিশ্চিত কুফরদের বিরুদ্ধে জিহাদের কথা বলতে গেলে ও আজ যেন ভ্রু-কুন্চিত হয়ে উঠে সাধারন মুসলিম ও আলেম সমাজের। মুসলিম যুবকরা আজ সেইভাবে ঘৃনা করে জিহাদ কে যেভাবে ভালোবাসে তাগুদকে। অন্ধকার পথ থেকে একমুঠো আলো অন্তরে এসে ছড়িয়ে পড়লে সত্যের দিকে ধাবিত হওয়ার যুদ্ধে নামি ২০১৪ সালের অগাস্ট প্রথম দিকে। নিরলস প্রচেষ্টা ও মহান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্তা নিয়ে খুঁজতে খুঁজতে চলে আসি অন্ধকার থেকে পূর্ণ আলোর দিকে।

আল-হামদু-লিল্লাহ্। কিছুটা সময় অতিবাহিত হতে না হতেই, সেই পূর্ণ আলোটাকে ‘সহীহ অন্ধকার বলে মনে হলো’। তবে এই সহীহ্ অন্ধকার পথ নিকশকালো অন্ধকারের পথ থেকে উত্তম। কারন এই অন্ধকারের ভিতরে গ্লাসে বাহিরের থেকে আলোর উজ্জ্বলতা দেখা যায়। কিন্তু সেই আলো জান্নাতের নাকি জাহান্নামের সেটা নিয়ে আমার বিবেক নাড়া না দিলেও আমার অর্জিত ঠুংকো জ্ঞান প্রায়ই নাড়া দেয়। বিবেক বলে ঐটা জান্নাতর আলো, জ্ঞান বলে জাহান্নামের আগুন।

এমনি হতাশায় ভোগছি গত ১ বছরের ও বেশি সময় ধরে। জানিনা ভাই কেনো তুমি আমার বিবেক আর জ্ঞানকে নিয়ে এমন এক সাংঘাতিক দুদল্যমানে পুড়াচ্ছো। এই অসহনীয় পরিস্থিতিতের চেয়ে তরবারি উল্টিয়ে শক্ত পাথরে ঠেঁকিয়ে বুক টাকে চেপে দিলে মনে হয় ক্ষণিকের জন্য হলেও প্রশান্তি বয়ে আনতো। কিন্তু আমি তো ক্ষণিকের প্রশান্তির জন্য নিজেকে এখনও নিজের তরবারির ধার থেকে রেহাই দেইনি বরং চির-প্রশান্তির খুঁজে জিহাদ করে চলছি বিবেক আর সত্য জ্ঞানের অন্বেষনের সাথে। আর কতটুকু জ্ঞান অর্জন করলে, আর কতটুকু বিবেকবান হলে একটি নির্দিষ্ট প্রান্তে পৌঁছাতে পারবো…ঢে..র দেড়ি হয়ে যাচ্ছে……

উম্মাহর এই যুবকরা আজ স্বন্দিহান। আজ তাদের যৌবন রস চুয়ে চুয়ে অর্ন্তবাস ভিজতে শুরু করছে ২০-২৫ বছর বয়সেই। যথেষ্ঠ তাকওয়াবান যুবকগুলোও আজ যেন নিষিক্ত নীল রঙে নিজেকে ক্ষণিকের জন্য ভাসিয়ে দিয়ে দুর্বল হয়ে পড়ছে ক্রমাগত।আর কখন মহান নেতারা জাগবেন.. আর কখন তারা নেতৃত্বের সুর এক করে ডেকে বলবেন,চলে এসো তোমাদের হাতে তরবারি ও ফুটন্ত প্রাণ নিয়ে, ভুলন্ঠিত করে দিতে আল্লাহ্কে অস্বীকার কারীদেরকে,যারা আল্লাহ্কে অস্বীকার করেই থেমে থাকেনা বরং তা প্রতিষ্ঠা করতে চায় সত্য দ্বীন কে আল্লাহর জমিনে।

কোথায় এই মুসলিম উম্মাহর সেই শ্রেষ্ঠ পথ নির্দেশকরা..? আজও কি তারা কেবল ফতুয়ার কিতাব লিখতে লিখতে জীবন পার করে দিবে নিকশ কলমের কালির মতো? নাকি তারা ঐক্যমত পোষণ করবে আল্লাহর জমিনে আল্লাহর বিধানকে প্রতিষ্ঠিত করতে? নির্দেশনাহীন এই পথের দিকে জেগে উঠার এই কাল্পনিক ডাক,আত্মাকে শুধু ধুমড়ে মুচড়েই দেয়না বরং আহব্বানকারীদের প্রতি হয়ে উঠে আরো ক্ষিপ্ত। অত:পর নিদ্রাবিহীন রাত কোন পথ না পেয়ে দিবা আলোতেই খুঁজে পথ। তবুও পথহারা..

আর কতবার জেগে উঠবো.. আর কতবার নিজেকে সান্তনা দিবো প্রতারণার আবরণে, আর কতকাল অপেক্ষা করলে চোখের তারায় কালিমার পতাকা বিনা বাতাসে ভাসতে দেখবো? আর কত মহাকাল অপেক্ষা করলে এমন একজন নেতাকে পাবো যার নেতৃত্বে কালিমার বিজয় পতাকা উড়বে ওয়াসিংটন থেকে। এই অপেক্ষা ও কান্নার কি কোন মূল্যই নেই! এই জেগে উঠা তবে কি ব্যর্থ…? তবে কি সবটাই নিছক প্রতারণা আল্লাহ রব্বুল আলা’মীনের ও তাঁর প্রতি ধারনকারী অধিক তাক্বওয়াশীল বান্দাদের সাথে…?——-জেগে ওঠা যুবক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here