রমজানে সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকতে ইফতার ও সেহরিতে যা খাওয়া উচিত

0
256

রমজানে ইফতার ও সেহরি সেহরিতে যা খাওয়া উচিতঃ

চলছে রমজান তাই সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকার জন্য চাই আমাদের কিছু নিয়ম মানা।

আমরা সাধারনত চেষ্টা করব যে, ইফতার ডিনার সেহরি এই তিনটা মেজর মীলকে ভাগ করে নেয়ার জন্য।

সে জন্য আমাদেরকে সহজপাচ্য খাবার গুলো যেগুলো সহজে হজম হয় তা সিলেক্ট করতে হবে।

ইফতার,ডিনার,সেহরিকে যদি আমরা বিভিন্ন খাদ্য গ্রুপে ভাগ করে নিই তাহলে আমাদের ক্যালোরি এবং পুষ্টি চাহিদার কোনো ঘাটতি হবে না।

আমাদের দিনটাই কিন্তু শুরু হচ্ছে সেহরী দিয়ে,শেষ হচ্ছে ডিনার দিয়ে।

তাই সেহরির খাবার টা কে একটু সহজভাবে যদি আমরা করে নেই তাহলে দু ,তিনটি খেজুর , একটু দই এবং চিড়া কলা ।

অথবা দুধ বা দুধের তৈরি একটি খাবার তার সাথে ডিমের মতো একটি ভালো মানের প্রোটিন যদি আমরা নেই,

তাহলে সারাদিন আমাদের শরীরে ক্যালরির কোন ঘাটতি হবে না এবং শরীর থাকবে বেশ সুস্থ।

এখন আসা যাক ইফতারের কথায়।ইফতার কিন্তু শুরু করতে হবে খেজুর দিয়ে আবার আবার অনেকেই চান,চিনি বা চিনি জাতীয় বিভিন্ন ধরনের শরবত পান করতে।

এ বিষয়ে একটু সর্তকতা অবলম্বন করা জরুরী, কারন চিনি কিন্তু ফার্মেন্টেশন এর মাধ্যমে গ্যাসট্রাইটিস তৈরি করে থাকে।

এটাকে অনেকেই রমজানে খুব লোভনীয় পানীয় হিসেবে খেয়ে থাকেন।

তবে ভালো হয় এটাকে কমিয়ে দিয়ে শুধু প্লেইন ওয়াটার পান করলে, এটা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি ফলপ্রসূ হয়। শরবত যদি খেতে চান তবে পুরো সময়টা জুড়ে এক গ্লাস শরবত ই যথেষ্ট অথবা কোন ফ্রেশ ফ্রুট জুস।

আরো ভালো হয় এক গ্লাস ডাবের

পানি নিতে পারলে কারণ ডাবের পানি এতটাই উপকারী যে এক গ্লাস ডাবের

পানিতে আপনার সারাদিনের ডিহাইড্রেশন পূরণ করে দেবে।

ইফতারের সাথে একটি মেজর মীল আপনি রাখবেন ছোলা ।

ছোলা যেহেতু সবার খুব প্রিয় বেশ প্রোটিন ও ফাইবার সমৃদ্ধ এবং প্রচুর পরিমাণে মিনারেল আছে এটি আস্তে আস্তে শরীরে ভাঙ্গে এবং প্রচুর এনার্জি যোগায় এটিকে আপনি সেদ্ধ করে নিতে পারেন ।

,সাথে প্রচুর পরিমানে সালাদ মিক্স করে নিতে পারেন,তাহলে আপনার ইলেকট্রোলাইটের ঘাটতি হবে না ।

কেননা শসা এবং টমেটো দুটোতে প্রচুর খাদ্য গুণ রয়েছে বিশেষ করে টমেটোতে রয়েছে ভিটামিন এ ভিটামিন সি সহ আরো অনেক গুণাগুণ এবং এটি অ্যান্টি-ক্যানসার প্রপার্টিজ হিসেবে কাজ করে।

এছাড়া যদি ভাজা পোড়া খেতে চান খেতে পারেন,তবে যেদিন আলুর চপ খাবেন সেদিন পেয়াজু না,যে দিন পেঁয়াজু খাবেন সেদিন বেগুনি না।

এভাবে ,

আমরা যদি পুরো সপ্তাহ জুড়ে খাবার গুলোকে ভাগ করে নিতে পারি তাহলে পুরো সপ্তাহ জুড়েই আমরা ইফতারটাকে এনজয় করতে পারব।

তবে অবশ্যই হালিম বা হালিম জাতীয় খাবার কে ছোলার সাথে নেয়া যাবে না কারণ দুটো একই গ্রুপের খাবার।

তারপর আসি ডিনার এর কথায়,ডিনার অবশ্যই ইফতারের কমপক্ষে 3 ঘণ্টা পর নিতে হবে।

এটি নামে ডিনার হলেও এটি কে আমরা নেব প্রায় স্ন্যাক্সের মতই।

এতে আমরা কিছু প্রোটিন জাতীয় খাবার যেমন ডিম বাদাম জাতীয় এবং সাথে স্যুপ জাতীয় কোন খাবার হতে পারে।

অবশ্যই আমরা অতিরিক্ত কোনো মিল নেব না যাতে করে আমাদের ইবাদতে কোন সমস্যা হয়।

সুস্থ থাকুন, রমজান গুলো সকলের ভালো কাটুক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here